বিদ্যালয়ের সংক্ষিপ্ত ইতিহাসঃ-
কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ উপজেলার ৬নং পূর্ব জোড়কানন ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের অন্তর্গত কমলপুর গ্রামে প্রাকৃতিক সবুজ বেষ্ঠিত মনোরম পরিবেশে কমলপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়টি অবস্থিত । বিদ্যালয়টির পূর্ব পার্শ্বে কমলপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় । পশ্চিমে কমলপুর ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসা। দক্ষিণে রাস্তা ও ফসলের মাঠ এবং দক্ষিণ পূর্বাংশে একটি ডাকঘর রয়েছে । পশ্চিম এবং উত্তরে দুইটি দ্বিতল ভবন রয়েছে । ৯টি শ্রেণীকক্ষ, প্রধান ও সহকারী শিক্ষক-শিক্ষিকাদের জন্য আলাদা আলাদা কক্ষ আছে । নামাজের জন্য একটি কক্ষ আছে । ছাত্র-ছাত্রী ও শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য পৃথক পৃথকভাবে দু’টি করে টয়লেট রয়েছে । বিদ্যালয়ের সামনে একটি খেলার মাঠ আছে । বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর কমলপুর এলাকার কিছু সচেতন ব্যক্তি শিক্ষা বিস্তারের লক্ষ্যে একটি জুনিয়র স্কুল প্রতিষ্ঠার জন্য সর্বস্থরের জনগনের সাথে যোগাযোগ শুরু করেন এবং ১৯৭২খ্রি. জানুয়ারী মাসের প্রথম দিকে এই এলাকার বিশিষ্ট ব্যক্তি জনাব আউয়াল খান, জনাব সুলতান আহম্মদ, জনাব আব্দুল আজিজ মজুমদার , জনাব ডাঃ সিরাজুল ইসলাম এবং জনাব- ওমর আহাম্মদ মেম্বরের উদ্যোগে স্থানীয় আজাদ মজলিস ক্লাবে এক সাধারণ সভার আয়োজন করা হয় । উক্ত আলোচনা সভায় এলাকার সর্বস্তরের জনগন অংশগ্রহন করেন । সভায় কমলপুর জুনিয়র স্কুল প্রতিষ্ঠার ব্যপারে ঐক্যমত পোষন করেন । ০১/০১/১৯৭২খ্রি. হতে আনুষ্ঠানিকভাবে স্থানীয় আজাদ মজলিস ক্লাবে জনাব- নজির আহাম্মদকে প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ করে জুনিয়র স্কুলের কার্যক্রম চালু করার সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয় । পরে ০১/০১/১৯৭৪ সালে বিদ্যালয়টি সরকারিভাবে স্বীকৃতিপ্রাপ্ত হয় ।
বিদ্যালয়টি ০১/০১/১৯৮৭খ্রি. এলাকাবাসী এবং কর্মরত শিক্ষকগনের প্রচেষ্টায় মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে উন্নীত করা হয় । প্রতিষ্ঠার পর হতে অদ্যাবধি এলাকার সর্বস্তরের লোকজন সার্বিকভাবে সহায়তা করছেন । অভিজ্ঞ শিক্ষকমন্ডলী ও দক্ষ ব্যবস্থাপনা কমিটি দ্বারা বিদ্যালয়টি পরিচালিত ।
কমলপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যঃ-
১. স্থানীয় পর্যায়ে প্রাথমিক স্তরে উত্তীর্ণ সকল শিক্ষার্থীকে বিদ্যালয় মুখীকরণ ।
২. শিক্ষার্থীর উপস্থিতি নিশ্চিতকরণ ।
৩. শিক্ষার্থীর ঝড়ে পড়া রোধ করা ।
৪. ছেলে-মেয়েদের জন্য শিক্ষা সুযোগের সমতা সৃষ্টিকরণ ।
৫. বাল্য বিবাহ,ইভটিজিং রোধ,মাদকমুক্ত সমাজ,দূর্নীতিমুক্ত দেশ গড়ে তুলতে সকল শিক্ষার্থী,অভিভাবকসহ এলাকাবাসীকে সচেতন করা।
৬. শিক্ষা,সংস্কৃতি,ইতিহাস ,ঐতিহ্য ও স্বাধীনতার সঠিক ইতিহাস জানতে উদ্বুদ্ধকরণ,ধর্মীয় মূল্যবোধ ও নৈতিকতা জাগ্রতকরণ।
৭. উচ্চ শিক্ষার ভীত ও মেধাবী শিক্ষার্থী তৈরি করণ।
৮. যুগোপোযুগি শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিতকরণ।
৯. শিক্ষার্থীর মূল্যায়ন ব্যবস্থার উন্নয়ন ও আধুনিকায়ন।
১০. মেধা ও সম্ভবনার পরিপূর্ণ বিকাশে সাহায্য করা এবং দায়িত্ববোধ সৃষ্টিকরণ।
১১. তথ্য ও প্রযুক্তি ভিত্তিক শিক্ষা নিশ্চিতকরণ ও ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নে শিক্ষার্থীদেরকে সঠিক ধারনা প্রদান করা।
১২. আত্ননির্ভরশীল ও সৃজনশীল কাজে শিক্ষার্থীদের অনুপ্রানিত করা।